📍 29, Chamelibagh, Shantinagar, Paltan, Dhaka-1217 (Next to Shantinagar Twin Tower)
Home / Blog / প্রেগনেন্সি এবং ডেন্টাল হেলথ
Health Care

প্রেগনেন্সি এবং ডেন্টাল হেলথ

প্রেগনেন্সি এবং ডেন্টাল হেলথ: গর্ভধারণের আগেই কেন ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেবেন?

ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে গর্ভধারণের আগে Pre-conception Dental Checkup বাধ্যতামূলক ধরা হলেও আমাদের দেশে সচেতনতার অভাবে অনেক মা গর্ভাবস্থায় তীব্র দাঁত ব্যথায় ভোগেন। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মাড়ি ও দাঁতের সংবেদনশীলতা বেড়ে যায়, যা মা ও শিশু উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় দাঁতের সমস্যার বৈজ্ঞানিক কারণ ও ঝুঁকি

১. Pregnancy Gingivitis: গর্ভাবস্থায় প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যার ফলে মাড়িতে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। এতে মাড়ি লাল হয়ে ফুলে যায় এবং ব্রাশ করার সময় রক্ত পড়ে।

২. এনামেল ক্ষয় (Erosion): গর্ভাবস্থার শুরুতে অনেকেরই মর্নিং সিকনেস বা বমি বমি ভাব থাকে। বমির সাথে পাকস্থলীর এসিড মুখে চলে আসে যা দাঁতের সুরক্ষা স্তর বা এনামেল ক্ষয় করে ফেলে।

৩. নিচু জন্ম ওজন (Low Birth Weight): গবেষণায় দেখা গেছে, মায়ের মাড়ির গুরুতর ইনফেকশন (Periodontitis) থাকলে সময়ের আগে শিশু জন্ম নেওয়া (Preterm birth) এবং শিশুর ওজন কম হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এক্স-রে এবং অ্যানেস্থেশিয়া: গর্ভাবস্থায় কি নিরাপদ?

অনেকেই গর্ভাবস্থায় ডেন্টাল এক্স-রে বা অ্যানেস্থেশিয়া নিয়ে শঙ্কিত থাকেন। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর নিরাপদ সমাধান রয়েছে:

ডেন্টাল এক্স-রে (Dental X-ray): যদি চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি হয়, তবে পেটে ‘লেড অ্যাপ্রন’ (Lead Apron) এবং গলায় ‘থাইরয়েড কলার’ ব্যবহার করে ডিজিটাল এক্স-রে (RVG) করা সম্ভব। এটি গর্ভস্থ শিশুকে রেডিয়েশন থেকে সুরক্ষিত রাখে। তবে সাধারণত প্রথম তিন মাস খুব জরুরি না হলে এক্স-রে এড়িয়ে চলাই ভালো।

লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া (Local Anesthesia): দাঁত তোলা বা রুট ক্যানেলের জন্য যে অবশ করার ইনজেকশন দেওয়া হয়, তা সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করলে মা ও শিশু কারো জন্যই ভয়ের কারণ নেই। তবে আমরা সবসময় গাইনি বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করে মায়েদের জন্য নিরাপদ অ্যানেস্থেশিয়া নির্বাচন করি।

কেন প্রেগন্যান্সির আগে চেকআপ জরুরি?

গর্ভাবস্থার সব সময়ে সব ধরনের ঔষধ বা জটিল সার্জারি করা যায় না। বিশেষ করে First Trimester এবং Last Trimester অত্যন্ত স্পর্শকাতর সময়।

Safe Window: ডেন্টাল চিকিৎসার জন্য গর্ভাবস্থায় দ্বিতীয় তিন মাস বা Second Trimester তুলনামূলক সবচেয়ে নিরাপদ সময়।

Preventive Step: মা হওয়ার পরিকল্পনার আগেই যদি কোনো ইনফেক্টেড দাঁতের ফিলিং, রুট ক্যানেল বা স্কেলিং করে নেওয়া যায়, তবে গর্ভাবস্থায় ব্যথা বা সংক্রমণের কোনো ঝুঁকি থাকে না।

গর্ভবতী মায়েদের জন্য জরুরি টিপস

মুখ পরিষ্কার রাখা: বমি করার পর এসিডের প্রভাব কমাতে সাধারণ পানি দিয়ে খুব ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। অন্তত ৩০ মিনিট পর ব্রাশ করুন।

সুষম খাদ্য: মা ও শিশুর দাঁত ও হাড় মজবুত করতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন বি-১২ যুক্ত খাবার বেশি করে খান।

সফট ব্রাশ: মাড়ির কোমলতার কথা ভেবে নরম বা ‘সফট’ ব্রাশ ব্যবহার করুন।

আবেদীন ডেন্টাল সার্জারি: আপনার বিশ্বস্ত সমাধান

ঢাকার শান্তিনগরের টুইন টাওয়ারের পাশেই অবস্থিত আবেদীন ডেন্টাল সার্জারি-তে আমরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে গর্ভবতী মায়েদের ডেন্টাল সেবা দিয়ে থাকি। আমরা এখানে আধুনিক ডিজিটাল এক্স-রে এবং বিশেষ প্রোটোকল অনুসরণ করি, যা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

আপনার সুস্থতা এবং আগত সন্তানের সুন্দর হাসির জন্য গর্ভধারণের পূর্বেই আমাদের সাথে পরামর্শ করুন।

Have a dental concern like this?

Book a consultation with Dr Joynal Abedin today.

🟢 Book via WhatsApp

One response to “প্রেগনেন্সি এবং ডেন্টাল হেলথ”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *